কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ০৩:৪৬ PM
০৪-০১-২০২৬ তারিখ জনাব জাকিয়া সুলতানা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে "তাজিন নওয়াবি কুইজিন এন্ড বাস্কুয়েট হল" এ এম এম সেন্টার, বাড়ী-৫৬/এ, রোড-৩ এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯, ঢাকাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
০৪-০১-২০২৬ তারিখ জনাব জাকিয়া সুলতানা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে "তাজিন নওয়াবি কুইজিন এন্ড বাস্কুয়েট হল" এ এম এম সেন্টার, বাড়ী-৫৬/এ, রোড-৩ এ, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯, ঢাকাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে রেস্টুরেন্টটির রান্নাঘর বেশ অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পরিলক্ষিত হয় অর্থাৎ মেঝে স্যাঁতসেঁতে এবং ডাস্টবিন খোলা অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। রেস্টুরেন্টে কর্মরত খাদ্য কর্মীদের কোন প্রকার স্বাস্থ্য উপকরণ যেমন এপ্রোন ও গ্লাবস ব্যবহার করতে দেখা যায় নি; কোন প্রকার লেবেল সংযোজন ব্যতিরেকে কালার, ঘি, কাঁচা ও রান্নাকরা মাংস একই ফ্রিজে এবং বিভিন্ন ধরনের মসলা সংরক্ষণ করতে দেখা যায়; স্টোরে আমদানিকারকের তথ্য বিহীন ফিস সস এবং বিভিন্ন ধরনের কেওড়াজল মজুদ করতে দেখা যায়; এছাড়াও ফায়ার লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, খাদ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য সনদ, পরিবেশ ছাড়পত্র, পেস্ট কন্ট্রোল প্রমাণক ও পানি পরীক্ষার সনদ প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ার অপরাধে দোষ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিরাপদখাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ১,০০,০০০/- অর্থদন্ড করা হয় এবং তাৎক্ষনিকভাবে আদায় করা হয়।
অভিযানকালে জনাব মো: আসলাম ভূইয়া, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ এবং ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যবৃন্দের একটি চৌকস টিম উপস্থিত ছিলেন।