কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:২৭ PM
২৩/১১/২০২৫ তারিখ রোজ রবিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব অতনু বড়ুয়া এর নেতৃত্বে ঢাকার কোতোয়ালি থানাধীন মিটফোর্ড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
ক্ষতিকর রাসায়নিক দিয়ে তৈরি গোলাপজল ও কেওড়া জলের বিরুদ্ধ অভিযান।
২৩/১১/২০২৫ তারিখ রোজ রবিবার বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব অতনু বড়ুয়া এর নেতৃত্বে ঢাকার কোতোয়ালি থানাধীন মিটফোর্ড এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। খাবার উপযোগী হিসেবে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক দিয়ে কেওড়া জল ও গোলাপজল তৈরির কাজে সংশ্লিষ্ট থাকায় নিয়মিত মামলা দায়েরের আদেশ।
গোলাপ জল ও কেওড়া জল তৈরিতে সুগন্ধি সরবরাহকারী মর্মে চিহ্নিত জাহিদ পারফিউমারী হাউজ নামক দোকানে বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভার (লেবেলে ফুড গ্রেড বলে উল্লেখ করা) বিক্রয় করতে দেখা যায়। ‘কেওড়া ফ্লেভার’ নামে বিক্রিত ফ্লেভারের মূল উৎস্য ও ক্রয়ের ভাউচার প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়। বিভিন্ন প্রকার ফ্লেভার এর বোতলের গায়ে যে লেবেলিং (ফুড গ্রেড লেখাযুক্ত) করা রয়েছে সেগুলো আসলেও ফুড গ্রেড কিনা তার কোন বিবরণ বা প্রমাণ দিতে পারেন নি। বিভ্রান্তিকর/অসত্য বিবরণ দিয়ে রাসায়নিক সুগন্ধিকে ফুড গ্রেড সুগন্ধি হিসেবে বিক্রির জন্য মিথ্যা লেবেলিং করার অপরাধ করায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়ের করার আদেশ প্রদান করা হয়।
পরবর্তীতে জাহিদ পারফিউমারী হাউজ যে প্রতিষ্ঠান থেকে এ সকল সুগন্ধি দ্রব্য ক্রয় করে মূল আদানিকারক/বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান ফেমাস পারফিউমারী সাপ্লাইয়ার্স লিমিটেড (আমদানিকারক) নামক দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকার ফ্লেভার/ক্যামিক্যাল বিক্রয় ও মজুদ করতে দেখা যায়। জিজ্ঞাসাবাদে মজুদকৃত ফ্লেভারসমূহ/ক্যামিক্যালসমূহ সিনথ্যাটিক গ্রেড (খাবারে ব্যবহার উপযোগী নয়) বলে জানা যায়। মজুদকৃত ফ্লেভার এর গ্যালনে কোন প্রকার বিবরণ নেই। উক্ত দোকানের কর্মচারীগণ বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান করে মোবাইল কোর্টকে অসহযোগিতা ও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন এবং ক্যামিক্যালসমূহ বাইরের কোন দেশ থেকে বাংলাদেশে ইমপোর্ট করে নিয়ে আসে তার কোন ধরনের তথ্যাদি প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়। এছাড়া ফ্লেভারসমূহ/ক্যামিক্যালসমূহ বিক্রয়কালে বিক্রেতাকে কেমিক্যাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য প্রদান না করা এবং এ সকল ফ্লেভারসমূহ/ক্যামিক্যালসমূহ খাবারে ব্যবহার করা যাবে কি না এ মর্মে কোন সতর্কতা প্রদান না করে বিক্রি করতে দেখা যায়। অননুমোদিত রাসায়নিক সুগন্ধি খাদ্যে ব্যবহার করার কাজে সংশ্লিষ্ট থাকায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা দায়ের করার আদেশ প্রদান করা হয়।
অভিযানকালে জনাব মোহাম্মদ ইমরান হোসেন মোল্লা, মনিটরিং অফিসার; জনাব মো: নাজমুল ইসলাম, নিরাপদ খাদ্য অফিসার; জনাব আসলাম ভূইয়া, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ এবং আনসার ব্যটলিয়ন সদস্যবৃন্দের একটি চৌকস টিম উপস্থিত ছিলেন।